দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বড় পর্দায় শুধুমাত্র প্যান্ট থেকে বেল্ট খুলে পিটিয়ে ত্রাশে পরিণত হয়েছিলেন তিনি। পেয়েছিলেন ‘বেল্টম্যান’ খ্যাতি। তিনি টলিউড অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। উত্তমকুমার পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু রোমান্টিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে একটা সময় বাড়ির বড় ছেলে কিংবা ভালো মানুষের চরিত্রে অভিনয় তাকে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে নিয়ে যায়। সেসময় অভিনেতাকে সমাজ সংস্কারকের ভূমিকায় দর্শকরা সাদরে গ্রহণ করে নেন।
সমাজের কুখ্যাত, সন্ত্রাস ছাড়ানো বাজে লোকগুলোকে বেল্ট দিয়ে মেরে-মেরে তক্তা বানিয়ে ফেলেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। একটা সময় দর্শকরা ভালোবেসে রঞ্জিত মল্লিককে ডাকতে শুরু করেন ‘বেল্টম্যান’ নামে।
বিভিন্ন সময় এই অভিনেতাকে ঘিরে একটা প্রশ্ন সামনে এসেছে। সেটি হলো রঞ্জিত মল্লিক কোনো কোম্পানির বেল্ট পরেন, দামই বা কেমন?
ভারতীয় গণমাধ্যম টিভি নাইন বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেল্ট নিয়ে প্রশ্ন করতেই রঞ্জিত মল্লিক বলেন, আমি ‘বেল্টম্যান’ হতে পারি, কিন্তু সত্যি বলতে আমার নিজের বেল্ট নিয়ে তেমন অবসেশন নেই। একটা হলেই হলো। আমি ভালো, শক্তপোক্ত বেল্ট পরতে ভালোবাসি। সেরকম যদি পাই তা হলে পরি। এবং সব রঙেরই বেল্ট আমার ভালো লাগে। তবে উদ্ভট রঙের নয়। যেমন ক্যাটকেটে কোনো রঙ। অনেককে আমি ওই রকম বেল্ট পরতে দেখেছি। ভালো লাগেনি। আর দাম যদি জিজ্ঞেস করেন, বলব, একেবারেই কোনো ছুঁৎমার্গ নেই। ভালো বেল্ট হলেই হলো।
দুবাইয়ের এক অনুষ্ঠানে মজার ঘটনা ঘটেছিল রঞ্জিতের সঙ্গে। মঞ্চে তার সঙ্গে রসিকতা করেছিলেন মীর আফসার আলী। দুবাইয়ের লোকেদের প্যান্ট থেকে বেল্ট খুলে নিতে বলেন তিনি। অবাক দর্শকের কেউ-কেউ তা করেওছিলেন। সব বেল্ট মীর হাতে করে নিয়ে এসে রঞ্জিত মল্লিকের কাছে দিয়ে বলেন, নিন এবার যত খুশি মারুন।
এম