দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তানজিন তিশার আত্মহত্যা চেষ্টা-কাণ্ডে কম জলঘোলা হয়নি। গুঞ্জন রটেছিল, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আত্মহননের সিদ্ধান্ত নেন এ অভিনেত্রী। আবার এ-ও কানাঘুষা হচ্ছিল, তিনি নাকি গর্ভপাত করিয়েছেন। এটা নিয়ে এক তো এক টেলিভিশন সাংবাদিকের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল তার।
ওই সাংবাদিককে হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। এখানেই থেমে থাকেননি তিশা, পরে তার বিরুদ্ধে ডিবি অফিসে গিয়েও অভিযোগ করেন।
এরপরই ক্ষুব্ধ হয় বিনোদন নিয়ে কাজ করা সাংবাদিক সমাজ। তার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা।
তিশার সঙ্গে সংবাদকর্মীদের এই দ্বন্দ্ব চোখ এড়ায়নি অপু বিশ্বাসের। এটা নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেছেন এ চিত্রনায়িকা।
অপু বিশ্বাস বলেন, ‘বিনোদন সাংবাদিক তামিমকে নিয়ে যেসব কথা হচ্ছে, আমি যতদূর জানি, তামিম একজন সুইট মানুষ ও ভালো ব্যক্তিত্বসম্পন্ন সাংবাদিক। আমি জানি না, দুজনের কথোপকথনের মধ্যে কোথায় গ্যাপ ছিল। তিশাও একজন আমার পছন্দের অভিনেত্রী।’
তিনি মনে করেন, এতদূর না গিয়ে— তানজিন তিশা যেহেতু একজন নারী, সেহেতু নারীকে সব জায়গায় প্রমাণ তুলে ধরা ঠিক না। দুজনের মধ্যে বড় কোনো গ্যাপ থাকলে সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে ঝামেলা মিটিয়ে ফেলা যেত। এটাকে সামনে নিয়ে গিয়ে সাংবাদিক ও আর্টিস্টদের মাঝে দূরুত্ব বেড়ে গেছে।
তিশার উদ্দেশে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘সাংবাদিকদের যথেষ্ট অধিকার রয়েছে। কোনো তথ্য ছড়িয়েছে বা কোনো বিষয় তাদের (সাংবাদিকদের) কাছে পৌঁছালে, সেটা সত্যতা যাচাই করে প্রচার করা। এটা তাদের নৈতিক বিষয়। এটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক না।’
এর আগে সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বের হয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিশা। সেই সময় এক সাংবাদিকের প্রতি অভিযোগের তীর ছুড়েছিলেন তিনি।
ডিবি কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর ‘সাংবাদিকদের উড়িয়ে দেওয়ার’ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় তানজিন তিশাকে। এর উত্তরে অভিনেত্রী জানান, তিনি সব সাংবাদিককে বলেননি। একজনকেই বলেছেন।
আর