দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী হুমায়রা হিমুকে তার মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) রাত সোয়া ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুর শহরের লামচরী জামে মসজিদের পাশের একটি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। এর আগে রাত ৮টায় মসজিদ প্রাঙণে তার নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আত্মীয়-স্বজন ছাড়াও স্থানীয় লোকজন ও মসজিদের মুসুল্লিরা অংশ নেয়।
এদিকে রাত ৭ টায় অ্যাম্বুলেন্সযোগে তার মৃতদেহ নানার বাড়ি লক্ষ্মীপুর শহরের লামচরী পুরাতন গোহাটা সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে আসা হয়। আত্মীয়-স্বজন মৃতদেহ এক নজর দেখার পর রাত ৭টা ২০ মিনিটের দিকে মৃতদেহ জানাজার স্থানে নিয়ে আসা হয়েছে। পরে বাদ এশা জানাজার নামাজ পড়ান ওই মসজিদের ইমাম।
হুমায়ারা হিমুর মামা ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক মঈন উদ্দিন চৌধুরী কামরু বলেন, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লামচরী জামে মসজিদের সামনে রাত সোয়া ৮টার পর বাদ এশা দ্বিতীয় জানাজা শেষে মসজিদের কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। এটি তার নানার এলাকা। তার দাদার বাড়ি চাঁদপুরের মতলবে। তবে ছোটবেলা থেকে নানার বাড়িতেই থাকত সে।
তিনি জানান, মা শামিম আরা চৌধুরীর কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, হিমুর বাবা-মা কেউই বেঁচে নেই। হিমু বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। তার বাবা প্রকৌশলী সানা উল্লাহ দুই মাস আগে মারা যান। তার মা শামীম আরা চৌধুরী ২০২০ সালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তবে তার মায়ের সঙ্গে তার বাবার সম্পর্ক ছিল না। হিমু যখন ছোট ছিল, তখন তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।
প্রসঙ্গত, হুমাইরা হিমু ১৯৮৫ সালের ২৩ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইস্পাহানি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ইডেন মহিলা কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি প্রথম নাট্য জগতে প্রবেশ করেন। ফ্রেঞ্চ নামক নাট্য দলের হয়ে তিনি অভিনয় করেন। ২০১১ সালে ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে হুমায়রা হিমুর অভিষেক হয়। চলচ্চিত্রের গল্পটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং চলচ্চিত্রে তার অসাধারণ অভিনয় সমালোচকদের ইতিবাচক সাড়া পেয়েছিল।
জেবি