দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চলতি এশিয়া কাপ ক্রিকেটের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান-নেপাল। খেলা শুরুর আগে পাকিস্তানের মুলতান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ছোট পরিসরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পাকিস্তানের আইমা বেগ ও নেপালের ত্রিশালা গুরুং নিজ দেশের প্রতিনিধিত্বকারী গান পরিবেশন করেন। এরপর থেকেই এই দুই শিল্পী সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল। গান তো বটেই, তাদের রূপ-সৌন্দর্যের চর্চা হচ্ছে সবখানে।

বাংলাদেশিদের কাছে আইমা ও ত্রিশালা তেমন একটা পরিচিত নন! তাই তাদের সম্পর্কে জানতে উদগ্রীব হয়ে আছেন নেটিজেনরা। চলুন তাহলে, তাদের সম্পর্কে অজানা তথ্য জেনে নেওয়া যাক।
অনুষ্ঠানে হলুদ পোশা করে হলদে পাখির মতোই মিষ্টি কণ্ঠে গান গেয়েছেন আইমা। পাকিস্তানের বর্তমান প্রজন্মের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয়। ১৯৯৫ সালের ১০ মার্চ লাহোরে জন্ম তার। ছোটবেলা কেটেছে ওমানে। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলচ্চিত্র বিষয়ে পড়েছেন। তার বাবা একজন ইলেট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। ২০১৭ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তার মা মারা যান। বাবা-মায়ের চতুর্থ সন্তান তিনি।
প্রথমে ২০১৪ সালে সাউন্ডক্লাউডে রকয়েকটি গান প্রকাশ করেন আইমা। এরপর থেকে তিনি সামাজিক মাধ্যমে খ্যাতি অর্জন করেন। খানিকটা পরিচিতি পাওয়ার পর ‘দুনিয়া নিউজ’ চ্যানেলের কমেডি অনুষ্ঠান ‘মাজাক রাত’ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের কিংবদন্তি কমেডিয়ানদের সঙ্গে কাজ করেন তিনি।

২০১৬ সালে পাকিস্তানি সিনেমা ‘লাহোর সে আগে’তে প্রথম প্লে-ব্যাক করেন। এরপর ‘কালাবাজ দিল’, ‘এহলে দিল’ ও ‘বি-ফিকরিয়ান’ ছবিতে গান গেয়ে পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন। এর মধ্যে ‘কালাবাজ দিল’ ছবিতে গান গেয়ে লাক্স স্টাইল অ্যাওয়ার্ডে সেরা গায়িকার পুরস্কার পান। তার আরেকটি জনপ্রিয় গান ‘ইশক আতীশ’ রাশিয়ান একটি টেলিভিশন ধারাবাহিকে বাজানো হয়। গানটি রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। কোক স্টুডিও পাকিস্তানের তিনটি সিজনেও গেয়েছেন আইমা।
আইমা সবশেষ ‘ফানকারি’ নামে একটি গান গেয়েছে। গেল ২৩ জুলাই ইউটিউবে গানচিত্রটি প্রকাশ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই এটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে।
পাকিস্তানি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানি অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক শাহবাজ হামিদের সঙ্গে ২০২১ সালের ২১ মার্চ বাগদান হয় তার। তবে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তা ভেঙে যায়।
উদ্বোধনী দিনে ত্রিশালা সাদা ব্লাউজ দিয়ে সাদা শাড়ি পরেছিলেন। সঙ্গে কানে ম্যাচ করে মুক্তার কানের দুল ছিল। হাতে ছিল লাল রঙের চুরি। আর তার এই রূপে মজেছেন সকলে।
নেপালের জনপ্রিয় গায়িকা ত্রিশালা। দেশটি প্রচুর অনুরাগী রয়েছে তার। তিনি গীতিকার ও সংগীত পরিচালকও বটে। এ ছাড়া এই শিল্পী পেশায় একজন চিকিৎসক। মডেলিংয়ের জগতেও তার বেশ খ্যাতি আছে।
সামাজিক মাধ্যম থেকেই খ্যাতি পান ত্রিশালা। প্রথম দিকে গানচিত্র বানিয়ে অনলাইনে প্রকাশ করতেন। একটা সময় তিনি ভাইরাল হয়ে যান।

চার বছর আগে ‘ইয়ো মন’ গানটির মাধ্যমে তিনি ডেবিউ করেন গায়িকা হিসেবে। বর্তমানে ইউটিউবে তার দুই লাখের বেশি সাবস্ক্রাইবার আছে। এই চ্যানেলে তিনি কেবল গান নয়, ভ্লগও প্রকাশ করে থাকেন।
ত্রিশালার ওপর যারা ক্রাশ খেয়েছেন, তাদের জন্য একটা দুঃসংবাদ আছে। তিনি কিন্তু বিবাহিত। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে নেপালের গানের জগতে একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি রোহিত শাক্যর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই গায়িকা।
আরএসও