দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গোয়ার একটি হাসপাতাল থেকে তার মৃত্যুর খবর আসে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে গোয়ার ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন নানা পাটেকর। সেখানে হঠাৎ তীব্র বুকে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। বিষয়টি জানার পর তার ছেলে মালহার পাটেকর দ্রুত একটি মেডিকেল টিমকে ফ্ল্যাটে পাঠান।
চিকিৎসক দল সেখানে পৌঁছে অভিনেতাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর দ্রুত তাকে গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে নানা পাটেকরকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার মৃত্যুর ঘটনাটি মেডিকো-লিগ্যাল কেস হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ও পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবারই তার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
নানা পাটেকরের আসল নাম বিশ্বনাথ পাটেকর। ১৯৫১ সালে মহারাষ্ট্রে জন্ম নেয়া এই অভিনেতা হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়েছেন। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রজীবন শুরু হয়। এরপর ‘পারিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’, ‘অব তক ছাপ্পান’ ও ‘নটসম্রাট’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন তিনি।
অভিনয়ের জন্য নানা পাটেকর তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১৩ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করে। শক্তিশালী অভিনয়, স্বতন্ত্র সংলাপ বলার ধরন ও বহুমুখী চরিত্রের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন নানা পাটেকর। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
কে