দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সম্প্রতি আবারও বাবা হয়েছেন অভিনেতা ও রাজনীতিক কাঞ্চন মল্লিক। তার ঘরে এসেছে পুত্রসন্তান। এর আগে তার একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ব্যক্তিজীবনে একাধিক বিয়ে ও নানা আলোচনা-সমালোচনার কারণে বিভিন্ন সময়ে খবরের শিরোনামে এসেছেন এই অভিনেতা।
তবে নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে যতই আলোচনা বা সমালোচনা থাকুক, সন্তানরা যেন তাকে সেসব দিয়ে বিচার না করে- এমনটাই চান কাঞ্চন মল্লিক। তার মতে, সন্তানদের কাছে তার পরিচয় হওয়া উচিত তার কাজের মাধ্যমে।
প্রায় ৩০ বছর ধরে ক্যামেরার সামনে কাজ করছেন কাঞ্চন। থিয়েটারসহ হিসাব করলে অভিনয়জীবনের পরিধি প্রায় ৩৭ বছর। দীর্ঘ এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। বিশেষ করে পার্শ্বচরিত্রে তার উপস্থিতি দর্শকদের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছে।
কাঞ্চনের ব্যক্তিজীবন অবশ্য তার অভিনয়জীবনের মতো সরল ছিল না। একাধিক বিয়ে এবং পরবর্তী সময়ে শ্রীময়ী চট্টরাজকে বিয়ে নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য দেখা যায়। এসব বিষয় তার সন্তানদের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও ভাবেন এই অভিনেতা।
কাঞ্চনের আশঙ্কা, সন্তানরা বড় হয়ে যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন মন্তব্য বা মানুষের কথার ভিত্তিতে তাকে বিচার করে, তাহলে বিষয়টি তার জন্য কষ্টের হতে পারে। তাই সন্তানদের উদ্দেশে তার বার্তা-ব্যক্তিজীবনের নানা ঘটনা দিয়ে নয়, বরং তার কাজের মাধ্যমে তাকে মূল্যায়ন করা হোক।
অভিনেতার কথায়, তার ব্যক্তিজীবনে কী ঘটেছে, তা নিয়ে মানুষের নানা মত থাকতে পারে। কিন্তু একজন শিল্পী হিসেবে তিনি কী কাজ করেছেন, কীভাবে নিজের পেশার প্রতি দায়িত্ব পালন করেছেন- সন্তানদের কাছে সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত।
এদিকে কাঞ্চনের বর্তমান জীবনে শ্রীময়ী চট্টরাজের ভূমিকার কথাও বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে। ‘দাদাগিরি’সহ নানা ক্ষেত্রে তাকে পাশে পাওয়া যায়। কাঞ্চনের ভাষ্য অনুযায়ী, শ্রীময়ী তার জীবনে অনেকটা ঢালের মতো। একই সঙ্গে তিনি একজন বন্ধু হিসেবেও পাশে থাকেন।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনের অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিজীবনের নানা উত্থান-পতনের পর কাঞ্চন এখন চান, তার সন্তানরা তাকে অন্যের বক্তব্য দিয়ে নয়, নিজের চোখে দেখুক। তার কাজ, দায়িত্ববোধ এবং একজন বাবা হিসেবে তার ভূমিকার ভিত্তিতেই যেন তারা তাকে বিচার করে-এটাই তার প্রত্যাশা।
কে