দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। গড় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে তিনটি বিভাগেই ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এবার এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৯ হাজার ৮১৪ জন শিক্ষার্থী।
গত বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯ হাজার ৯০২ জন। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কিছুটা বাড়লেও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম।
ফলাফল বিবরণীতে জানা গেছে, এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার ১ হাজার ৮২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৯৫ হাজার ৩৯৯ জন। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৭ হাজার ২০৩ জন ছেলে এবং ৫৮ হাজার ১৯৬ জন মেয়ে।
মেয়েদের গড় পাসের হার ৬৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং ছেলেদের ৬৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারেও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েদের আধিপত্য দেখা গেছে। এবার ৫ হাজার ৮৪৮ জন মেয়ে শিক্ষার্থী এবং ৩ হাজার ৯৬৬ জন ছেলে শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে এগিয়ে বিজ্ঞান
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এর মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ৮১ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং মেয়েদের ৮৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
মানবিক বিভাগে পাসের হার ৫০ দশমিক ৬১ শতাংশ। এ বিভাগে ছেলেদের পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং মেয়েদের ৫২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
অন্যদিকে, বাণিজ্য বিভাগে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪০ শতাংশ। এ বিভাগে ছেলেদের পাসের হার ৫২ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং মেয়েদের ৬৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৪টি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২২টি।
ফলাফল ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) পাপিয়া আক্তারসহ বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কেএম