দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যৌন হয়রানি, ব্লাকমেইলিং ও অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশসহ হুমকির অভিযোগে সাবেক স্বামীর করা মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক (ডিডি) সেলিনা বেগমকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশালের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম এসএম শরিয়তুল্লাহ তাকে জেলে পাঠিয়েছেন বলে আদালতের নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) এসআই হুমায়ন কবির জানিয়েছেন।
উপ-পরিচালক সেলিনা বেগম (৪০) বরিশাল নগরীর নতুন আবাসিক এলাকার নুরজাহান মঞ্জিলের চতুর্থ তলা ভাড়াটিয়া মো. কাঞ্চন গোলদারের কন্যা।
মামলার বাদী মোহাম্মদ হাসানুর রশিদ বরিশাল জেলার সাবেক ও বর্তমানে লালমনিহাট জেলা কালচারাল কর্মকর্তা।
মামলার বরাতে জিআরও জানান, সেলিনা বেগম ২০২৫ সালের ১ মার্চ বাদীর সঙ্গে পূর্বপরিচয় দিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বাদী টের পান, সেলিনা বেগমের সঙ্গে একাধিক পুরুষের সম্পর্ক রয়েছে এবং একাধিক বিয়ে রয়েছে। এ কারণে দম্পতির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। ২০২৫ সালের ৩ জুলাই লালমনিরহাটে সেলিনা বেগম বাদীকে মারধর করেন। এরপর ৩১ জুলাই তালাক দেন। সেলিনা বেগম তার সম্মানহানির জন্য বিভিন্ন একান্ত মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও মানহানিকর ছবি প্রকাশের হুমকি দিয়েছেন। এসব অভিযোগে বাদী বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ট্রাইব্যুনালের আদেশে কোতয়ালী মডেল থানা এজাহার রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।
সেলিনা বেগম তার সম্মানহানির জন্য বিভিন্ন একান্ত মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও মানহানিকর ছবি প্রকাশের হুমকি দিয়েছেন। এসব অভিযোগে বাদী বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ট্রাইব্যুনালের আদেশে কোতয়ালী মডেল থানা এজাহার রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।
জিআরও হুমায়ন কবির বলেন, মামলার আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জামিন নাকচ করে সেলিনা বেগমকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আরএ