দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল শাকসুর ভোট।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম ও ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু। রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
রিটে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনার আলোকে শাকসু নির্বাচন আয়োজন আইনসম্মত নয়।
ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম গণমাধ্যমকে বলেন, হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেছেন। ফলে আগামীকাল ভোট অনুষ্ঠিত হবে না এবং চার সপ্তাহ পর যে কোনো দিন নির্বাচন হতে পারে।
এদিকে, শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবারের ভোটের দাবি জানিয়ে সোমবার দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে অবস্থান নেন এবং সিলেট–সুনামগঞ্জ মহাসড়ক একাংশ বন্ধ করে রেখেছেন। এতে যানজট সৃষ্টি হয়। আটকা পড়ে অসংখ্য যানবাহন। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
সর্বশেষ বিকাল সাড়ে ৩টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তারা সড়কের একাংশে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সড়কে অবস্থান নিয়েছেন।
শাকসু নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভসহ তিন শিক্ষার্থী রোববার হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। শাকসু কেন্দ্রীয় সংসদে মোট ২৩টি পদে ৯৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহসভাপতি পদে চারজন, সাধারণ সম্পাদক পদে সাতজন এবং সহসাধারণ সম্পাদক পদে চারজন। অন্যদিকে হল সংসদে নয়টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ মিলিতভাবে ভোটের আগ্রহে উত্তেজনা তৈরি করেছে। উল্লেখ্য, ২৮ বছর পর শাবিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল।
এবি/