দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ ইন্সটিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি (আইএসটি)-এর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় আইএসটি-এর অডিটোরিয়ামে এ নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, আইএসটি’র পরিচালক (প্রশাসন) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. সালেহ্ মুহম্মদ রফিক। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইএসটি’র অধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. এ. মজিদ।
নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও আইএসটি’র পরিচালনা পর্ষদের বিদ্যোৎসাহী সদস্য অধ্যাপক ড. এস. এম. মোস্তফা আল মামুন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুদ্দারদা, স্নাতকপূর্বের ডিন অধ্যাপক ড. আশেক কবির চৌধুরী, সাবেক সচিব আবু সাঈদ চৌধুরী, ক্রাউন ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ প্রফেসর মামুনুর রশিদ, আইএসটি’র ছাত্র উপদেষ্টা ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফরিদা নাসরীন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জাকির হোসেন
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন আইএসটি’র প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির সাবেক ডিন ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. শাহিদা রফিককে।
তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. আবদুস সালাম এই প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন। আইএসটি’র আধুনিক ও যুগোপযোগী সিলেবাস, শিক্ষার মান এবং সফটওয়্যার/হার্ডওয়্যার প্রজেক্ট এক্সজিবিশন ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন দেখে তিনি অভিভূত হন। তিনি আইএসটি’র সুশৃঙ্খল শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং আধুনিক কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল ল্যাবের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি আরও বলেন, আইএসটি’র সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার প্রজেক্ট এক্সজিবিশন এবং পোস্টার প্রেজেন্টেশন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি গত জুলাইয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আইএসটি’র শিক্ষার্থীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইএসটি’র অধ্যাপক রুনা রোখসানা খান, অধ্যাপক জিয়াউল হাসান, অধ্যাপক আশফাকুর রহমান, সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক লুৎফী হাবিবা, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসান এবং ইসিই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাহফুজা ফেরদৌসী।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি এবং সভাপতি মহোদয় সফটওয়্যার/হার্ডওয়্যার প্রজেক্ট এক্সজিবিশন অ্যান্ড পোস্টার প্রেজেন্টেশনে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. উজ্জ্বল হোসেন ও সিএসই বিভাগের প্রভাষক তাসমী সুলতানা তমা।
এবি/