দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার দাবিতে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ও শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিসহ টানা ১৫ দিনের ছুটি শেষে আবারও জমে উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন।
আবাসিক হল ও বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেসগুলোতে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। তবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও রয়েছে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলগুলো বিরুদ্ধে। এদিকে প্রচারণার সময় বাড়িয়ে ১৪ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।
জানা গেছে, বুধবার সকাল থেকে পরিবহন মার্কেট, টুকিটাকি চত্বর, একাডেমিক ভবন সংলগ্ন চায়ের দোকান, আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস সংলগ্ন মেসসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রার্থীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এবারের নির্বাচনে রাকসুর ২৩টি পদে লড়ছেন ২৪৭ প্রার্থী। এর মধ্যে ভিপি পদে ১৮, জিএস পদে ১৩ এবং এজিএস পদে ১৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার ২৮ হাজার ৯০১ জন। এর মধ্যে নারী ১১ হাজার ৩০৫ এবং পুরুষ ১৭ হাজার ৫৯৬। সিনেট নির্বাচনে প্রার্থী ৩০৬ জন এবং হল সংসদে ৬০০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রচারকালে ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ নূর উদ্দীন আবীর বলেন, দীর্ঘ ছুটির পর আমরা আবার প্রচারণায় ফিরেছি। শিক্ষার্থীদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছি। তারা আমাদের কাছে অনেক দাবি জানাচ্ছেন, সেগুলো পূরণ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আমাদের অনেকগুলো টিম এখানে কাজ করছে। আশা করছি, এখানে ছাত্রদল চমৎকার ফলাফল দেশবাসীকে উপহার দিবে।
শিবির সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট প্যানেলে ভিপি পদপ্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, রাকসু নির্বাচনের একটা উত্সবমুখর পরিবেশ ছিল, যা পোষ্যকোটা ইস্যু সামনে এনে নষ্ট করা হয়েছিল। এখন আবার সেই পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনি আমেজ বইছে চতুর্দিকে। আমরা সকলের কাছে দোয়া চাচ্ছি। আশা করি, শিক্ষার্থীরা যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এফ. নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা আবারও শিক্ষার্থীদের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখতে পাচ্ছি। রাকসু নির্বাচন পেছানোর কারণে প্রচারণার সময় বাড়ানো হয়েছে। ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাতে পারবে প্রার্থীরা। কয়েকবার নির্বাচন পেছানোর কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে প্রশাসন ক্যাম্পাসে যে অস্থিরতা ছিল, তার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে অনেকগুলোরই সমাধান করেছে।
উল্লেখ্য, ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাকসু নির্বাচন। মোট ভোটার ২৮ হাজার ৯০১ জন। আটটি একাডেমিক ভবনের ১৭টি কেন্দ্রে ৯৯০ টি বুথ থাকবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
আরএ