দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সরকারি কলেজের শিক্ষক বদলি/ পদায়ন নীতিমালা, ২০২৫’ গত ৩০ জুন থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আওতায় প্রভাষক থেকে অধ্যাপক এবং অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদ পর্যন্ত বদলি ও পদায়নের আবেদন এখন থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে।
আবেদনকারীদের নিজের পিডিএস (হালনাগাদ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট) নির্দিষ্ট ফর্মে আবেদন জমা দিতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রভাষক থেকে অধ্যাপক পর্যন্ত সব পদের বদলি ও পদায়নের ক্ষমতা থাকবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে। অধ্যক্ষ বা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের মাধ্যমে প্রতিটি আবেদন অনলাইনে অগ্রায়ন (পরবর্তী ধাপে পাঠানো) করতে হবে। কোনো আবেদন পেন্ডিং রাখা যাবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অনলাইন ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে পাঠানো আবেদন বিবেচনা করা হবে না। প্রতিটি আবেদন প্রতি ১৫ দিন অন্তর মূল্যায়ন করে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। একজন শিক্ষক একবার আবেদন করলে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে পুনরায় আবেদন করতে পারবেন না।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, বদলির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক তদবির, আধাসরকারি পত্র (ডিও লেটার) বা অন্য কোনোভাবে চাপ প্রয়োগকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হবে। অসম্পূর্ণ বা হালনাগাদহীন পিডিএস গ্রহণ করা হবে না। বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
অনলাইনে বদলি-পদায়নের মাধ্যমে স্বচ্ছতা আনার কথা বলছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এক্ষেত্রেও অনিয়মের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা।
তারা বলছেন, অনলাইনেও অনেক ধরনের অনিয়ম-জালিয়াতির সুযোগ রয়েছে। এছাড়া ডিজিটালি কর্তৃত্ব রাখার নানান মাধ্যমের বিষয়েও আমরা জানি। বদলি-পদায়নের ক্ষমতা দেখানোর বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ শাখা-১-এর এক কর্মকর্তারা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও সব বদলি নিজেদের হাতে রাখার পক্ষে নন। শিক্ষা উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আগ্রহে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কে