দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দীর্ঘ ৩৪ দিনের স্থবিরতার অবসান ঘটতে চলেছে। রোববার (৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ে যথারীতি ক্লাস পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
এর আগে গত ৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ আবাসিক হলসমূহে উঠতে শুরু করেছে।
সকালে বিভিন্ন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের আসতে দেখা গেছে। তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, দীর্ঘ বন্ধের কারণে সেশনজটের শঙ্কায় রয়েছেন তারা। আর শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষক শিক্ষার্থী উভয় পক্ষের মধ্যে সমন্বয় হলে দ্রুত ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব।
ভেটেরিনারী অনুষদের শিক্ষার্থী ফারিসা হক নিঝুম বলেন, দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার পর আজ খোলা হয়েছে। শিক্ষার পরিবেশ আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হবে সেটাই প্রত্যাশা করছি। তবে সেশনজটের কিছুটা আশঙ্কা রয়েছে। আমরা স্যারদের সঙ্গে বসে কিভাবে পড়াশোনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়া যায় সেই চেষ্টা করবো।
মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী তাহিবা তানজিম বলেন, আমাদের সেমিস্টার পরীক্ষা হচ্ছে। সেশনজট হবে সেটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আগের তুলনায় পরিশ্রম একটু বাড়িয়ে দিলে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সোনিয়া সোহেলী বলেন, হল খোলার পর আজ থেকে ক্লাস শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শিক্ষার্থী মুখর হয়ে উঠেছে। সেশনজটের কিছুটা আশঙ্কা থাকলেও ছাত্র শিক্ষক বসে সমন্বয় করে নিলে বেশি প্রভাব পড়বে না।
কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে শিক্ষার্থীদের অব্যাহত আন্দোলনে সংকট তৈরি হলে সমাধানের লক্ষে ভিসিসহ ২৫১ জন শিক্ষক কর্মকর্তা গত ৩০ আগস্ট একাডেমিক কাউন্সিলে বসেন। পরে সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মনমতো না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের আট ঘণ্টা অবরোধ করে রাখলে বহিরাগতরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে। পরে ৩১ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর সংকট নিরসনে বেশ কয়েক দফা আলোচনা করলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। সবশেষ প্রক্টর এবং শিক্ষক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু হওয়ায় আন্দোলন থেকে সরে যায় শিক্ষার্থীরা।
আরএ