দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। ফল উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ও অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হচ্ছে।
এ বছরের (২০২৬ সাল) উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
২০২৫ সালের এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে পাসের হার ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ কমেছে।
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনলাইনে রেজাল্ট পোর্টাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যম ও মুঠোফোনে এসএমএস বা খুদে বার্তায় ফলাফল পাবেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।
এদিকে ফলাফল প্রকাশের পর তা নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী রোববার (১ নভেম্বর) থেকে অনলাইনে এ আবেদন গ্রহণ শুরু হবে, যা চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবেদন ও ফি পরিশোধের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
যেভাবে আবেদন করবেন
ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। আবেদন করতে হবে https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর আবেদনকারীর একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলে ওই নম্বরেই এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হবে। পরবর্তী ধাপে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে যেসব বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ অপশনে যেতে হবে।
শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি পত্রের জন্য আবেদন ফি ১৫০ টাকা। কোনো বিষয়ে দুটি পত্র থাকলে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে। বিষয় নির্বাচন শেষে পরবর্তী স্ক্রিনে মোট প্রদেয় ফির পরিমাণ দেখা যাবে।
আবেদনের ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মাধ্যমে। পেমেন্ট সম্পন্ন করার বিস্তারিত নির্দেশনা জানতে আবেদন পোর্টালের ‘হেল্প’ অপশন অনুসরণ করতে হবে।
ফি পরিশোধের পর পুনরায় আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এই ধাপ সম্পন্ন হলেই আবেদন জমা দেয়ার প্রক্রিয়া শেষ হবে।
শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী ফি পরিশোধ করে আবেদন জমা দেয়ার পরও নতুন কোনো বিষয়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে একই পদ্ধতিতে বিষয় নির্বাচন করে ফি পরিশোধ করতে হবে। তবে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেয়ার প্রয়োজন হবে না।
অন্যদিকে, ফি পরিশোধের আগে আবেদন সংশোধন বা পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। এ জন্য ‘মুছে ফেলুন’ অপশনে গিয়ে যেসব বিষয় নির্বাচন করা হয়েছে, কিন্তু যেগুলোর ফি এখনো দেয়া হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করে নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
তবে একবার কোনো বিষয়ের আবেদন ফি জমা দেয়া হলে সেই বিষয় আর বাতিল করা যাবে না। একই সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই পরিশোধিত আবেদন ফি ফেরত দেয়া হবে না।
শিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। তাই সরাসরি বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
/অ