দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নীতিমালা সংশোধনের পর নতুন করে আবেদন নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও আলোচনা চলছে। তবে নীতিমালার কোন কোন ধারায় পরিবর্তন আনা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষকদের বদলি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব বিষয় আলোচনায় আসে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং সভায় অংশ নেওয়া একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
সভা সূত্র জানায়, নিজ জেলায় বদলি, বদলির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা, সব এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বদলির সুযোগ এবং আবেদনে ভুল সংশোধনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে বদলি নীতিমালা সংশোধনের পক্ষে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনেকে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন আসবে। তবে সংশোধনের পর নতুন করে আবেদন নেওয়া হবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বড় ধরনের পরিবর্তন এলে নতুন করে আবেদন নেওয়া হতে পারে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সুপারিশে দূরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বদলির সুযোগ থাকা প্রয়োজন। তবে সভায় উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান চলমান প্রক্রিয়ায় বদলির ফল প্রকাশের পক্ষে মত দেন। তাঁদের আশঙ্কা, নীতিমালা পরিবর্তন করে নতুন করে আবেদন নেওয়া হলে শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বদলির সুযোগ থাকবে, তবে তা নিয়মের মধ্যে হতে হবে। কোনোভাবেই স্বেচ্ছাচারিতা বা নিয়মবহির্ভূত সুযোগ দেওয়া হবে না। বদলি প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ত্রুটিমুক্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। শিক্ষাসচিব দেশে ফেরার পর মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে বদলির দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বদলি নীতিমালা প্রণয়ন করে গত ২১ আগস্ট থেকে আবেদন নেওয়া শুরু হয়। এক দফা সময় বাড়িয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৭ জন শিক্ষক বদলির আবেদন করেন। তবে আবেদন গ্রহণ শেষ হওয়ার প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও বদলির ফল প্রকাশ করা হয়নি।
এমএম/