দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সরকারি ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে মেট্রোপলিটন ও নগর এলাকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ ধরনের বরাদ্দের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত নীতিমালায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, গত তিন বছরে কোনো সরকারি সহায়তা পায়নি এমন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী বরাদ্দের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে গত তিন বছরে যেসব প্রতিষ্ঠান ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি বা পরিবহন সুবিধা পেয়েছে, তাদের নতুন আবেদন বিবেচনা করা হবে না।
প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সংখ্যা, প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত চাহিদা, এলাকাভিত্তিক সুষম বণ্টন এবং গত তিন বছরের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করতে হবে। এ জন্য প্রতিবছর ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিজ নিজ এলাকার যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠাতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, বরাদ্দ পাওয়ার পর ল্যাবরেটরি সামগ্রী কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা পর্যায়ে ছয় সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ কমিটির সভাপতি থাকবেন। কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সহকারী প্রোগ্রামার। সংশ্লিষ্ট কারিগরি বা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
কেনাকাটা শেষ হওয়ার পর সব সরঞ্জামের হিসাব প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতে হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিদর্শনে এলে সংশ্লিষ্ট রেজিস্টার ও সরঞ্জাম প্রদর্শন করতে হবে।
ক্রয় করা সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার ও বরাদ্দের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা নিয়মিত মনিটরিং করবেন। কেনাকাটা বা বরাদ্দে কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা সরাসরি বিভাগ বা মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।
তবে বিশেষ প্রয়োজনে যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি নির্বাচন এবং অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষমতা নিজেদের হাতে সংরক্ষণ করেছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
/অ