দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পে সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং স্থানীয় স্পিনিং মিল থেকে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ সুতা কেনার বাধ্যবাধকতার সিদ্ধান্তকে ‘আত্মঘাতী’ বলে আখ্যা দিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্পের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠন দুটি বলেছে, গত ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণীতে এমন সিদ্ধান্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ ওই সভায় এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
চিঠিতে বলা হয়, ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করে ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে আমদানির প্রস্তাব এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রয়োজনীয় সুতার অন্তত ৫০ শতাংশ স্থানীয় স্পিনিং মিল থেকে সংগ্রহের বাধ্যবাধকতা কার্যকর হলে দেশের তৈরি পোশাক শিল্প বড় ধরনের সংকটে পড়বে।
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর দাবি, দেশের পোশাক শিল্প দীর্ঘদিন ধরে বন্ড ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। হঠাৎ এ সুবিধায় পরিবর্তন আনা হলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে নেতিবাচক বার্তা যাবে এবং রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে রপ্তানি আদেশ কম থাকায় সুতার চাহিদাও তুলনামূলক কম। এরপরও স্থানীয় বাজারে সুতার দাম বাড়ছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের কারণে স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলোও তাদের উৎপাদন সক্ষমতার ৫০ শতাংশের বেশি ব্যবহার করতে পারছে না।
এ অবস্থায় বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করে তা জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। প্রয়োজনে এ বিষয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকেরও আবেদন জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এমএস/