দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর বাজারে যেন স্বস্তির কোনো খবর নেই। একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় হাঁসফাঁস করছেন সাধারণ মানুষ। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ টাকা, ২০০ টাকায় মিলছে না কোনো মাছ; ডিমের ডজনও ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। এর সঙ্গে বেড়েছে চিকন ও সুগন্ধি চালের দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসারে বাড়ছে খরচের চাপ, বাজার করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মালিবাগ ও রামপুরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাছ, মুরগি ও ডিমের চড়া দামে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। মাছের বাজারে ২০০ টাকার নিচে প্রায় কোনো মাছ মিলছে না। অন্যদিকে ডিম ও মুরগির দামও বাড়তি হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার খরচ বেড়েছে।
মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, সোনালি ৩২০ এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকায়। গরুর মাংসের কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা। ডিমের বাজারেও অস্বস্তি রয়েছে। সাদা ডিমের ডজন ১৩০ টাকা, বাদামি ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। তবে পাড়া-মহল্লার দোকানে ডজনপ্রতি ডিম কিনতে গুনতে হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা।
মাছের বাজারেও দাম চড়া। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বড় রুইয়ের কেজি ৪৫০ থেকে ৫০০, ট্যাংরা ৭০০ এবং দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। আকারভেদে ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়।
রামপুরা বাজারের ক্রেতা জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘বাজারে মাছ কিনতে এসে এখন রীতিমতো অবাক হতে হয়। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের জন্য বাজার করাই কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।’
মাছ বিক্রেতা নুরুউদ্দিন বলেন, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। তবে প্রতিদিনই কমবেশি হচ্ছে। একদিন কিছুটা কমলে পরদিন আবার বেড়ে যায়।
ক্রেতাদের অভিযোগ, আয় সেভাবে না বাড়লেও প্রতিদিনই বাড়ছে বাজার খরচ। মাছ, মুরগি ও ডিম কিনতেই এখন বড় অঙ্কের টাকা খরচ হচ্ছে। আগে যে টাকায় সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন সেই টাকা কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। নিত্যপণ্যের এই চড়া দামে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।
কেএম