দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশে ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও আন্তঃব্যাংক বাজারে এ মার্কিন মুদ্রার দাম বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে প্রতি ডলারের দাম ৭৫ পয়সা বেড়ে সপ্তাহের শুরুতে ১২৩ টাকা ৬০ পয়সায় উঠেছে।
প্রায় সাড়ে তিন মাসের ব্যবধানে ডলারের দর বেড়েছে এক টাকা ৩০ পয়সা। একই সময়ে বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউজ থেকে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮৫ পয়সা দরে ডলার কিনেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি আমদানিসহ কয়েকটি বড় বৈদেশিক পরিশোধ, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও রপ্তানি আয়ে কিছুটা দুর্বলতার কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলায় বাংলাদেশ ব্যাংক বিনিময় হার নির্ধারণে সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে না।
তবে ডলারের দামের সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতির পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে মাঠে নামছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ডলারের বড় লেনদেনকারী কয়েকটি ব্যাংকে বিশেষ তদারকি চালানো হবে। এসময় ব্যাংকগুলোর দৈনিক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন, বড় পরিশোধ এবং নিট ওপেন পজিশন (এনওপি) পর্যালোচনা করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ডলার বাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। ব্যাংকগুলো নিজেদের মধ্যে লেনদেন করছে। তবে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অস্বাভাবিকতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বড় কিছু বৈদেশিক পরিশোধের কারণে সাময়িক চাপ তৈরি হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের দর ১২২ টাকা ৩০ পয়সার আশপাশে স্থিতিশীল ছিল। জুনের শেষ দিক থেকে ধীরে ধীরে দাম বাড়তে শুরু করে এবং বর্তমানে তা ১২৩ টাকা ৬০ পয়সায় পৌঁছেছে।
এদিকে ১২ থেকে ১৬ জুলাই ঢাকা সফর করা আইএমএফ প্রতিনিধিদল সরকারের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেছে। বৈঠকে বাজারভিত্তিক বিনিময় হার, ব্যাংকখাতের সংস্কার, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ভর্তুকি যৌক্তিক করার মতো বিষয় গুরুত্ব পায়।
উল্লেখ, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি।
কে