দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্ববাজারের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে দেশের পণ্য রপ্তানি থেকে এসেছে ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। তৈরি পোশাক খাতে চাপ থাকলেও চামড়া, পাট, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল ও কয়েকটি খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন অর্থবছরে রপ্তানি বাড়াতে উৎপাদন ব্যয় কমানো, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্যিক নীতিতে স্থিতিশীলতা জরুরি। শাহিনুল ইসলাম সাগরের রিপোর্ট। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮ বিলিয়ন ডলার।
বছরের শুরুতে ভালো প্রবৃদ্ধি থাকলেও মাঝামাঝি সময়ে বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়া, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং প্রধান বাজারগুলোর অনিশ্চয়তায় রপ্তানি গতি হারায়। তবে শেষ দিকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় রপ্তানি।
বিজিএমইএ পরিচালক ও নেক্সাস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রশীদ আহমেদ হোসেইনীর দাবি, শুধু অর্ডার বাড়লেই হবে না। প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে টিকে থাকতে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ, জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, বন্দর সক্ষমতা এবং দ্রুত কাস্টমস সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে নতুন বাজারে প্রবেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক উদ্যোগও বাড়ানোর তাগিদ ব্যবসায়ীদের। বলছেন, এককভাবে তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বহুমুখী রপ্তানি খাত গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
পিআরআই চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলছেন, মূল্য সংযোজনকারী শিল্প, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন এবং রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো গেলে বৈশ্বিক ধাক্কা সামলে দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি আয়ে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন অর্থবছরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে উৎপাদন ব্যয় কমানো, বাজার বৈচিত্র্য এবং নীতিগত স্থিতিশীলতাই হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
এমএস/