দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল কার্যকরের পর প্রায় এক দশক ধরে নতুন বেতন কাঠামো পায়নি সরকারি চাকরিজীবীরা। এবার দীর্ঘ ১১ বছর পর নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরের শুরু থেকেই ধাপে ধাপে মূল বেতন বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা বাড়ানোরও প্রস্তাব রয়েছে।
সরকারি হিসাব বলছে, বর্তমানে প্রায় ২৩ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ও পেনশন বাবদ বছরে ব্যয় হচ্ছে প্রায় এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রথম ধাপে অতিরিক্ত প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। তবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে প্রয়োজন অতিরিক্ত এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান বলছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় বেতন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিলে অর্থনীতিতে বাড়তে পারে ভারসাম্যহীনতা।
প্রস্তাবিত স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বর্তমানে ৮ হাজার ২৫০ টাকা। সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলছেন, বেতন বাড়লে উৎপাদনশীলতা, কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর ওপর সমান গুরুত্বদিতে হবে।
বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলছেন, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, রাজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এ উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে চাপের কারণও হতে পারে।
জে আই