দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে দেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশাধিকার আরও বাড়ানো এবং নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থানরত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি ইউএসটিআরের রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশে আরোপিত বর্তমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কহার কমানোর বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্থাপন করতে সম্মত হয়েছেন। এই শুল্কহার কমানো হলে তা আঞ্চলিক প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শনিবার ১০ জানুয়ারি বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, শুল্কহার কমানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের রপ্তানি অগ্রাধিকারকে সমর্থন দিতে উভয় পক্ষ একটি নতুন ও ভবিষ্যৎমুখী বিশেষ সুবিধা কাঠামোর বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে।
এই প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্তভাবে টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির সুযোগ পাবে। তবে এই সুবিধার পরিমাণ নির্ধারিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তুভিত্তিক টেক্সটাইল উপকরণ বাংলাদেশ যে পরিমাণ আমদানি করবে, তার সমপরিমাণ অনুযায়ী।
সরকারের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও শক্তিশালী হবে। এতে বাংলাদেশের শিল্পকারখানা ও শ্রমিকরা উপকৃত হবেন এবং একই সঙ্গে মার্কিন উৎপাদকদের সঙ্গে সরবরাহ শৃঙ্খল আরও গভীর হবে। এই অগ্রগতি যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিবাচক গতি ও পারস্পরিক সদিচ্ছার প্রতিফলন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
এমএস/