দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মুরগির মাংস ও ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তিতে মানুষ। তবে চিন্তায় পড়েছেন প্রান্তিক খামারিরা। কেননা নতুন করে দাম বাড়ছে ফিড ও বাচ্চার। এতে অধিকাংশ খামারিকেই গুণতে হচ্ছে লোকসান।
বিক্রেতারা বলছেন, গত ৩ মাস ধরে ডিমের কোনো সংকট নেই। পর্যাপ্ত ডিম পাওয়া যাচ্ছে। দামও আগের চেয়ে কম। কাস্টমাররাও খুশি। আর ক্রেতারাও বলছেন স্বস্তির কথা।
তবে প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) বলছে, নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে সিন্ডিকেট। স্বস্তি আনতে সরকারি তদারকি বাড়ানোর তাগিদ অর্থনীতিবিদের। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মুরগি ও ডিমের দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার এমন সস্তুষ্টিই বলে দেয় বাজার স্বস্তির কথা। মাস ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ আর সোনালিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। খামারিরা বলছেন, চড়া ফিডের দামের পাশাপাশি ২ মাসের ব্যবধানে বাচ্চার দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। এতে বেড়েছে উৎপাদন খরচ। বিপরীতে বাজারে চাহিদা কমায় খামার পর্যায়ে কমেছে মুরগির বিক্রয়মূল্য। এতে লোকসানে পড়ছেন তারা।
শুধু তাই নয়, অনেক খামারই মাঝপথে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। অনেক শ্রমিক খামারে কাজ করে। খামার বন্ধ হয়ে গেলে শ্রমিকরা বেকার হয়ে যাবে। মুরগির ফিড তৈরির প্রধান উপাদান ভূট্টার দাম কমলেও বাজারে এর প্রভাব নেই। পাশাপাশি বাচ্চা নিয়ে সিন্ডিকেট হচ্ছে বলেও দাবি তাদের। বিপিএর সভাপতি সুমন হাওলাদার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ডিম ও মুরগির দাম আরও কমানো সম্ভব। তবে এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বড় বড় পোল্ট্রি কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে। খামারিদের টিকিয়ে রাখতে ফিড ও বাচ্চার যৌক্তিক দাম নির্ধারণ ও তা বাস্তবায়নে সরকারের তাদারকি বাড়াতে হবে।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বড় ব্যবসায়ী যারা বাচ্চা বা ফিড সরবরাহ করছেন, তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দরকার হলে অন্যভাবে তাদেরকে সুযোগ-সুবিধা দিয়ে মূল্যটা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্যমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে মোট মাংস উৎপাদন হয়েছে ৯২ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন। আর ডিম ২ হাজার ৩৭৪ কোটি ৯৭ লাখ পিস।
কে