দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লঞ্চ মালিকরা দাবি করেছেন, যাত্রীর অভাবে ছোট-বড় মিলিয়ে সাড়ে ৭শ’ লঞ্চের মধ্যে প্রায় ৩শ’ লঞ্চ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন শ্রমিকরাও। আর শুধু পদ্মা সেতু নয়, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও হরতাল অবরোধও ব্যবসাকে বড় ধাক্কা দিয়েছে।
তারা বলেন, যে লঞ্চগুলো চলছে তার আয় দিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন দিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।
জানা যায়, পদ্মা সেতু চালুর পর স্বাভাবিকভাবেই লঞ্চের যাত্রী বেশ কমে যায়। পদ্মা সেতু চালুর আগে প্রতিদিন লঞ্চে করে ঢাকা থেকে বরিশালসহ উপকূলীয় বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করতেন অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সে সংখ্যা এখন অনেক কমে গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সেতু উদ্বোধনের পর সদরঘাটে যাত্রীদের চাপ আকস্মিকভাবে কমে যায়। আর এখন হরতাল-অবরোধের কারণে ধস নেমেছে যাত্রী পরিবহনে।
এক শ্রমিক জানান, পাঁচ দিন পর পর লঞ্চ চলছে। স্টাফদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু তারা মালিকদের দিকে তাকিয়ে কিছু বলতেও পারছেন না। মানুষ সদরঘাটে আসছেন না। তারা বিভিন্নভাবে কম সময়ে ঢাকায় পৌঁছে যেতে পারছেন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল বলেন, ৮০ শতাংশ গরিব মানুষ লঞ্চে যাতায়াত করেন। তাদের মুখের দিয়ে তাকিয়ে ও তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ইজারাপত্র বাতিল করা অত্যন্ত জরুরি। এটি বাতিল করলে আমাদের কিছু যাত্রী বাড়বে।
মালিকরা আরও জানিয়েছে, ঢাকা-বরিশাল রুটে আগে যেখানে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০টি লঞ্চ চলাচল করতো, সেখানে এখন চলছে মাত্র দুটি। আগে ঢাকা থেকে প্রতিদিন অন্তত ৮০টি লঞ্চ বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেত। এই সংখ্যা ২০টি কমে এখন ঠেকেছে ৬০টিতে। সেই হিসাবে এক বছরে লঞ্চ চলাচল কমেছে ২৫ শতাংশ।
জেডএ