দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় কিছু পণ্যের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনপ্রতি ডিমের দামও কমেছে ১০ টাকা। তবে টমেটো ও শিমের মতো কয়েকটি সবজি এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে মুরগি, মাছ ও গরুর মাংসের দাম রয়েছে আগের অবস্থায়।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ১৪০ টাকা এবং আগাম শিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখী, পটোল, বেগুন ও কাঁকরোলের কেজি ৮০ টাকা। আগাম মুলা ও ঢ্যাঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া প্রতি কেজি মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা এবং পেঁপে ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম ৭০ টাকা। আকারভেদে লাউ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। কাঁচা মরিচের কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা।
বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, লাউ ও পেঁপের দাম তুলনামূলক কম হলেও টমেটো ও শিম কিনতে বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। তবে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে থাকায় কিছু পণ্যের দাম কমেছে।
ডিমের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বর্তমানে প্রতি ডজন বাদামি ডিম ১৪০ টাকা এবং সাদা ডিম ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চারটি ডিমের দাম ৪৬ টাকা। গত সপ্তাহে ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। বিক্রেতারা জানান, ডিমের দাম প্রায়ই ওঠানামা করে।
এদিকে মুরগির বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮৫ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ভাষ্য, কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্রয়লার মুরগির দাম ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগির দাম ৩১০ থেকে ৩২০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে।
গরুর মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।
মাছের বাজারে অধিকাংশ মাছের দাম আগের মতোই রয়েছে। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং কাতলা ৩৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
প্রতি কেজি বাইম মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছসহ কয়েক ধরনের মাছের দাম কেজিপ্রতি এক হাজার টাকার বেশি।
মাছ বিক্রেতারা জানান, মাছের দাম মূলত চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। মাছের আকার এবং জীবিত না মৃত, তার ওপরও দামের পার্থক্য হয়। বাজারভেদে একই মাছের দামে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। বিক্রেতাদের মতে, সকালে ক্রেতাদের চাহিদা বেশি থাকায় দাম তুলনামূলক বেশি থাকে, বিকেলে তা কিছুটা কমতে পারে।
এমএম/