দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কমে আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। এর প্রভাবে মার্কিন ডলারের দর দুর্বল হয়ে পড়ায় শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮৯ দশমিক ৯৯ ডলারে দাঁড়ায়। এতে সপ্তাহজুড়ে সোনার দাম বাড়ার পথে রয়েছে।
এদিকে স্পট সিলভারের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৩৬ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৯০ দশমিক ৪৯ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ১৬২ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচার মূল্য ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২১৫ দশমিক ৩০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবে না তাঁর দেশ। একই সময়ে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চলছে। এ যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
জেফরিজের মালিকানাধীন ট্রেডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবুরাস বলেন, তেলের দাম কমে আসায় চলতি মাসে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে যুক্তি জোরালো হচ্ছে। এতে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে এবং বন্ডের মুনাফার হারও সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা কমেছে। এ পরিস্থিতি সোনার দাম পুনরুদ্ধারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।
মার্কিন ডলারের দর দুর্বল হলে অন্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনা তুলনামূলক সস্তা হয়ে ওঠে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চাহিদা বাড়তে পারে।
তবে সোনার বাজারে এখনো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন জাবুরাস। তাঁর মতে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি বাজারে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর আশঙ্কা এবং বন্ডের তুলনামূলক উচ্চ মুনাফার হারও সোনার দামের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। এসব কারণে আবারও সোনার দাম কমে যেতে পারে।
সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষাকবচ হিসেবে সোনাকে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বাড়লে সোনা ধরে রাখার আকর্ষণ কমে যায়। কারণ, সোনা থেকে সুদ বা নিয়মিত আয় পাওয়া যায় না। বিপরীতে, সুদযুক্ত সম্পদে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ে।
যে আই