দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আবারও অস্থির দেশের পুঁজিবাজার। দুই সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা, কমেছে লেনদেনও। সূচকের টানা পতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ফিরছে আস্থার সংকট। বাজার স্থিতিশীল করতে বিএসইসির কার্যকর নজরদারি ও সংস্কারের তাগিদ বিশ্লেষকদের। লোকসান ঠেকাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে জোর দেন তারা।
দেশের পুঁজিবাজারে ফের অস্থিরতা। চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিএসইর প্রধান সূচক প্রায় ১০০ পয়েন্ট কমেছে । যা গত তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার লেনদেনে অংশ নেয়া প্রায় ৯০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে। এতে আবারও আস্থার সংকটে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
বর্তমান বিএসইসি কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন উদ্যোগে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছিল। তবে হঠাৎ এই ছন্দপতনের জন্য ডিএসইর কার্যক্রমকে দায়ী করছেন ডিবিএ সাবেক সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী।
গেল দুই সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা। একইসময়ে, লেনদেনও নেমে এসেছে ৪০০ কোটি টাকার ঘরে। পরিস্থিতি উত্তরণে বিএসইসির কার্যকর হস্তক্ষেপ চান পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা।
বাজারে নতুন বিনিয়োগকারী ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি অকার্যকর কোম্পানিগুলো দ্রুত তালিকাচ্যুত করার পরামর্শ অর্থনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ।
লোকসানের ঝুঁকি কমাতে বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি লাভের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের দিকে নজর দেয়ার পরামর্শ পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আস্থা ফেরাতে কার্যকর নজরদারি ও বাজার সংস্কারের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গিই পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার পথ দেখাতে পারে।
কে