দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মেয়েদের ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলতেন পলাশ ঘোষ এবং রনি কুমার ঘোষ। পরে নিজেদের কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী পরিচয় দিয়ে বন্ধুত্ব করতেন অন্যদের সঙ্গে। এরপর কানাডায় নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নিতেন মোটা অঙ্কের টাকা। এসব অভিযোগে তাদের আটক করেছে পুলিশের জঙ্গি বিরোধী বিশেষ শাখা এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)।
শুক্রবার (২৮ জুলাই) দিনগত রাত ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জের সদর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। শনিবার (২৯ জুলাই) বিকেলে এটিইউয়ের মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস উইংয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এটিইউ জানায়, শুক্রবার দিনগত রাত ১০টার দিকে এটিইউয়ের একটি দল সিরাজগঞ্জের সদর থানা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
আটক পলাশ ঘোষ রাজধানীর তেজগাঁও কলেজে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম বর্ষ পর্যন্ত এবং রনি কুমার ঘোষ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) থেকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করা। পলাশ সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর থানার অনুপ ঘোষের ছেলে। রনি একই জেলার বেলকুচি থানার মৃত নির্মল চন্দ্র ঘোষের ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটক দুজন কানাডায় মাইগ্রেশনের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে বসবাসের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি সাধারণ মানুষকে ভিসা দেওয়ার নামে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করতেন। এই চক্রটি প্রথমে অনলাইনে মেয়েদের নাম ব্যবহার করে ফেইক আইডি তৈরি করতেন। ফেসবুকে নিজেদের দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথোপকথনের একপর্যায়ে প্রতারক চক্রের সদস্যরা কানাডাতে স্কলারশিপ পেয়েছে বলে ওইসব ছাত্রদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিতেন। আর স্পাউস ভিসায় তাদের কানাডায় নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্নভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেন।
আটক ব্যক্তিরা ওই বিষয়টিকে বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য কানাডার স্কলারশিপ পাওয়ার জাল কাগজপত্র তৈরি করতেন। এমনকি আটকরা ব্রিলিয়ান্ট নম্বর ব্যবহার করে ঢাকার কানাডিয়ান হাইকমিশন থেকে কথা বলছেন বলে মিথ্যা পরিচয় দিতেন।
জেডএ