দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফল ব্যবসাবানয়ী পরিচয়ে বান্দরবান শহরে চলতি মাসে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন পর্নোগ্রাফি ভিডিও নির্মাণ ও প্রচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুগল।
রোববার (১৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় বান্দরবান পৌরসভার রোয়াংছড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আটক করা হয় তাদের। তাদের বাড়ি চট্টগ্রাম।
জানা যায়, ওই যুগল দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে বসেই ভিডিও ধারণ, সম্পাদনা ও আপলোড করতেন এবং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছিলেন।
বিষয়টি একটি সংবাদমাধ্যমে প্রচার হলে তারা বান্দরবানে ফল ব্যবসায়ী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এই যুগল অন্যদেরও এই কাজে যুক্ত হতে উৎসাহিত করেছেন। এর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশে বসে পর্ন ভিডিও বানানো এবং প্রচারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন। যা বাংলাদেশের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ। পরে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ অভিযানে বান্দরবান থেকে আটক করা হয় তাদের।
ভবনটির ম্যানেজার বলেন, ‘চলতি মাসের ১৩ তারিখে ফল ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে ভবনের পাঁচ তলায় ১০ হাজার টাকায় দুজনকে রুম ভাড়া দেওয়া হয়। ভাড়া দেওয়ার সময় আইডি কার্ডসহ নিয়ম অনুযায়ী সবকিছু করা হয়। বাসা থেকে তারা দুজনই হেলমেট পরে বের হতেন, তারা যে এত বড় অপরাধের সঙ্গে জড়িত সেটি জানতাম না। তাদের সঙ্গে আরও এক নারী সেখানে থাকতেন।’
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি প্রচারের অভিযোগে দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতেই তাদের চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
উল্লেখ্য, যুগলটি একাধিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট প্রকাশ করতেন। পাশাপাশি তারা টেলিগ্রাম, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেও কার্যক্রম প্রচার করতেন। ২০২৪ সালের মে মাসে তাদের নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল খোলা হয়, যেখানে কয়েক হাজার সদস্য রয়েছেন। চ্যানেলে তারা নতুন ভিডিওর লিংক এবং আয়ের স্ক্রিনশট শেয়ার করতেন। প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশজুড়ে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
আরএ