দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাদককারবারি ধরতে জাল পেতেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সেই জালে পা দিয়ে সাত কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দুই সদস্য।
তারা হলেন- মতিঝিল বিভাগের অবৈধ অস্ত্র ও মাদক টিমের কনস্টেবল কামাল উদ্দিন ও শাহীন আলম।
ডিএমপি জানিয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত ১০ মার্চ রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর মগবাজার চৌরাস্তায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় অপেক্ষায় চার যাত্রী। দুমিনিট পর অটোরিকশাটির কাছে থামেন মোটরসাইকেল আরোহী দুজন। দ্রুততার সঙ্গে যাত্রীদের গাঁজাভর্তি একটি কালো ট্রাভেল ব্যাগ দেন তারা। টাকা চাইতেই তাদের ঘিরে ফেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। তিন প্যাকেটে মেলে সাত কেজি মাদক। কথা হয় সেই অটোরিকশা চালকের সঙ্গে। তিনি জানান, অভিযানের কথা বলে তাকে ভাড়া নেয়া হয়।
গ্রেপ্তার তিন জনের মধ্যে কামাল উদ্দিন ও শাহীন আলম ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কনস্টেবল। আছেন মতিঝিল বিভাগের অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার টিমে। বাকি একজন তাদের সোর্স। এ টিম গত ৭ মার্চ রাজধানীর শাজাহানপুর থেকে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ঢাকা মেট্রো উত্তর) উপ-পরিচালক শামীম আহম্মেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিক্রির মাদকগুলো সেই অভিযানে জব্দ করা কি না খতিয়ে দেখছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, মাদকসহ বাহিনীর দুই সদস্য গ্রেপ্তারের বিষয়টি নজরে এসেছ। তদন্ত করে নেয়া হবে ব্যবস্থা। অপরাধীদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না। সে যেই হোক না কেন। সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশের এমন কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই কাম্য নয়। সময় অনুযায়ী তারা ভালো সাজার চেষ্টা করছেন। তারা কোনোভাবেই পরিবর্তনের যে ব্যাপারগুলোর তা শুধু আলোচনার মধ্যেই থাকছে, কিন্তু সেই আলোচনাগুলোকে তারা ধারন করছেন না। ধারন না করার কারণে তাদের মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। গ্রেপ্তার দুজনের সঙ্গে ডিবির অন্য কোনো সদস্য জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখার আহ্বান এ বিশ্লেষকদের।
কে