দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আলোচিত সেনা কর্মকর্তা লে. তানজিম সরোয়ার নির্জন হত্যাকাণ্ডে দায়েরকৃত মামলার অন্যতম আসামি মো. সাদেক (৪১) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন ফাঁসিয়াখালি থেকে তাকে গ্রপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সাদেক চকরিয়ার বাসিন্দা মো. খাইরুজ্জামানের ছেলে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার মাছ ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের বাড়িতে একদল ডাকাত ডাকাতি সংগঠনের জন্য সমাবেত হয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এ সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অভিযান টিমের ইনচার্জ লে. তানজিম সরোয়ার নির্জনের নের্তৃত্বে রাত সাড়েতিনটার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সেনাবাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতেরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যগণ ডাকাতদের গ্রেপ্তারের লক্ষে ডাকাতদের পিছু পিছু ধাওয়া করে। এ সময় লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার একজন ডাকাতকে আটক করেন। আটককৃত ডাকাতকে ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অপরাপর ডাকাতগণ এসে লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ারকে ধারালো ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে আটককৃত ডাকাতকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে সেনা কর্মকর্তা তানজিম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে সেনা ও পুলিশ সদস্যগণ তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে মালুমঘাট মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাটি দেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। র্যাব উক্ত হত্যাকান্ডের পরবর্তী ছায়াতদন্ত সহ ঘাতকদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে আভিযানিক কার্যক্রম শুরু করে। উক্ত ঘটনার বিষয়ে সেনাবাহিনী বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যা চকরিয়া থানার মামলা রুজু হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় বর্ণিত ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিদেরকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র্যাব-১৫ সদর ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস আভিযানিক দলের নের্তৃত্বে যৌথবাহিনী বৃহস্পতিবার রাত সোয়া দুইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন ফাঁসিয়াখালি থেকে অভিযান পরিচালনা করে মো. সাদেককে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে আসামিকে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এফএইচ