দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবন থেকে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ।
মরিয়মের বাবা মামলার আবেদনে তার মেয়ে জামাই গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে আসামি করেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় স্ত্রীকে নির্যাতন করা হতো কি না, তা জিজ্ঞাসাবাদে জানা যেতে পারে। এ বিষয়ে তখন পর্যন্ত পুলিশের কাছে নিশ্চিত কোনো তথ্য ছিল না।
মরিয়মের মরদেহ উদ্ধারের পর গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। চলতি বছরের জুলাইয়ে তার একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। পরে জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক তদন্তের পর ২২ জুলাই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে।
মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় এখন আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলার অভিযোগের সত্যতা ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।