দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে সীমান্তবর্তী রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানি ঢুকে পড়ায় দুই ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট।
পরিস্থিতি বিবেচনায় রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিনের বৃষ্টি ও পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারণে বৃহস্পতিবার রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। পরে ধীরে ধীরে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়। এতে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও নিচু এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা পানিতে তলিয়ে গেছে।
পদ্মার পানি বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতেও। কয়েক দিন ধরে নদীতে পানি বাড়তে থাকায় নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে ১২ দশমিক ৯৮ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। ৯ সেপ্টেম্বর একই পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১২ দশমিক ৯০ মিটার। তবে পানি এখনো বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক দিন ধরে পদ্মায় প্রতিদিনই পানি বাড়ছে। এর আগে দৌলতপুরের পদ্মার চরাঞ্চলের ৩৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়। গত তিন দিনে পদ্মায় পানির উচ্চতা বেড়েছে ৩৭ সেন্টিমিটার।
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ জানান, ইতোমধ্যে প্লাবিত এলাকার ৩০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন পুরো পরিস্থিতি নজরে রেখেছে। প্লাবিত এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে।
তিনি জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় প্লাবিত দুই ইউনিয়নের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।
এমএস/