দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ‘শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে দেখিয়ে তার পরিবার সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ওই মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর তারিখ ও তার ছেলের জন্মতারিখ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মো. আ. কুদ্দুস মৃধা। এ বিষয়ে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক ও মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বকসির ঘটিচোরা এলাকার মৃত আবদুল আজিজ সিকদার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার গেজেট নম্বর ১০৫০ এবং মুক্তিবার্তা লাল বই নম্বর ০৬৫০৬০২০৭।
অভিযোগকারীর দাবি, ১৯৯৬ সালে আবদুল আজিজ সিকদারের মৃত্যুর তারিখ নির্ধারণে তদন্ত করা হলে প্রতিবেদনে ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বর গুলিবিদ্ধ হয়ে তার মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়। পরে তাকে ‘শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে পরিবারটি অতিরিক্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, আবদুল আজিজ সিকদারের ছেলে শহিদুল ইসলাম বাবুলের এসএসসি সনদসহ সংশ্লিষ্ট নথিতে জন্মতারিখ ১৯৮০ সালের ৫ জানুয়ারি উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে বাবার মৃত্যুর তারিখ ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বর উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ঘটনায় সরকারি নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন, ওই পরিবারের সরকারি সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি বলেন, মো. আ. কুদ্দুস মৃধা রাজাকার পরিবারের সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবারের সম্মানহানির চেষ্টা করছেন। জায়গাজমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে কুদ্দুস তার পরিবারের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আতাউর রাব্বী বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এমএম/