দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম ইউনিয়নের যাদবপুর এলাকায় মো. টগর মিয়াকে ঘিরে মাদক সেবন ও বিক্রি, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টগর মিয়া মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও এলাকায় প্রভাব ধরে রেখে বিভিন্নভাবে মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
টগর মিয়া যাদবপুর এলাকার আব্বাস উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন টগর। বর্তমানে তিনি নিজেকে বিএনপির সহযোগী সংগঠন যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচয় দেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, টগরের মেয়ের জামাতা ও জামাতার এক ভাই পুলিশে কর্মরত থাকায় এলাকায় তার প্রভাব বেড়েছে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনেকে ভয় পান।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টগর মিয়ার মাদক সেবনের দাবি করে কয়েকটি ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এগুলো নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, টগর মিয়া এলাকার তরুণদের মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত তরুণ-তরুণীদের ব্যবহার করে ভালো পরিবারের ছেলেমেয়েদেরও মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা টগর মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে টগর মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, টগর মিয়াকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক কারবার বা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি-ভিডিওসহ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
যে আই