দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা ১০ জন মানবপাচারের শিকার ভিকটিমকে উদ্ধার এবং মানবপাচার চক্রের একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫-এ টেকনাফ ক্যাম্প।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫-টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র জোরপূর্বক/প্রলোভনের মাধ্যমে কয়েকজন বাংলাদেশি পুরুষ ও নারীকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে টেকনাফ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের নাইট্যংপাড়ায় একত্রিত করেছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে, গত ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৮:৫০ ঘটিকায় নাইট্যংপাড়ার পিএইচপি বরফ মিলের পাশে জনৈক হাবিবুল্লাহর বাড়ির সামনের এলাকায় আভিযানিক দলটি অভিযান পরিচালনা করে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করে।
এ সময় র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আব্দুল আমিন (২২)-কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল আমিন নাইট্যংপাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের নূর মোহাম্মদের ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে ও তার পলাতক সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে উদ্ধারকৃত ভিকটিমদের বাংলাদেশ থেকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে জড়ো করেছিল। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে মানব পাচারের শিকার ১০ জন ভিকটিমকে নিরাপদে উদ্ধার করে র্যাবের হেফাজতে নেওয়া হয়। উদ্ধারকৃত ভিকটিমদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাদেরকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে উক্ত স্থানে নিয়ে আসা হয়েছিল।
উদ্ধারকৃত ভিকটিম ও গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
র্যাব-১৫ মানবপাচারসহ সকল ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মানবপাচারের মতো গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধে জনসাধারণকে সচেতন ও সতর্ক থাকার পাশাপাশি যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য র্যাব বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
কেএম