দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের উত্তেজনা, হামলা ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসাছাত্র ও পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে জেলা পুলিশের আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকায় পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ, মাদ্রাসাছাত্র ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজানো হচ্ছিল। শব্দ কমানোর জন্য কয়েকজন মাদ্রাসাছাত্র পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে অনুরোধ করেন। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে পুলিশের তর্কবিতর্ক শুরু হয়।
পরে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে মাদ্রাসাছাত্ররা পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান। এতে মাদ্রাসাছাত্র ও পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।
দারুল আরকাম মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বুধবার তাদের পরীক্ষা রয়েছে। উচ্চস্বরে গান বাজানোর কারণে পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। এ কারণে প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সে গিয়ে শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন। তাদের দাবি, প্রথমে শব্দ কমানো হলেও পরে আবার বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
এমএস/