দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ত্রিশালে বালুর ঘাটে ইজারাদারের এক কর্মীকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীর মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে ইউএনও পরপর দুটি থাপ্পড় দেওয়ার পর লাঠি দিয়ে কয়েকবার আঘাত করতে দেখা যায়।
মারধরের শিকার সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি। তিনি ত্রিশালের কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজারের কুলুরবাড়ি এলাকার একটি বালু বিক্রির পয়েন্টে ইজারাদারের কর্মী হিসেবে কাজ করেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১টা ৫৯ মিনিটের দিকে ওই বালু বিক্রির পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ইউএনওর নেতৃত্বে আনসার ও র্যাবের সদস্যরা বালু বিক্রির পয়েন্টে যান। সেখানে ইউএনও কাগজপত্র দেখতে চান। এ সময় সৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক সারোয়ার জাহান অভিযানে আসা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চান। একপর্যায়ে ইউএনও তাকে পরপর দুটি থাপ্পড় দেন।
পরে র্যাবের এক সদস্য সারোয়ারকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তখন ইউএনও ওই সদস্যের কাছ থেকে একটি লাঠি নিয়ে সারোয়ারকে কয়েকবার আঘাত করেন। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান ইউএনওকে থামানোর চেষ্টা করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সারোয়ারকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেন।
ইজারাদারপক্ষের দাবি, পরে সারোয়ারকে র্যাবের গাড়িতে করে ত্রিশালের ধলা এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলে স্বজন ও ইজারাদারপক্ষের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
সৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের মালিক শামসুজ্জামান মাসুদ বলেন, প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে তারা বালুমহালটি ইজারা নিয়েছেন। ইজারার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাদের কাছে রয়েছে। অভিযানের সময় কাগজপত্র দেখানোর জন্য সময় চাওয়ার পরই তার কর্মী সারোয়ারকে মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শামসুজ্জামান মাসুদ বলেন, আমাদের কর্মী অভিযানে আসা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন। এরপরই তাকে মারধর করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
ঘটনার বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, আমি ভিডিওটি দেখেছি। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই