দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাদারীপুর সদর থানার ভেতরে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় এক আসামির টিকটক ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, হ্যান্ডকাফ পরিহিত ‘তানভীর নুসু’ নামের এক যুবক থানার ভেতরে ভিডিও ধারণ করছেন, আর কাছেই বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা।
পুলিশি হেফাজতে থাকা আসামির হাতে কীভাবে মোবাইল ফোন গেল এবং থানা প্রাঙ্গণে কীভাবে তিনি নির্দ্বিধায় ভিডিও করার সুযোগ পেলেন—তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এতে পুলিশের নজরদারি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই মাদারীপুর সদর থানার বারান্দার গ্রিল ভেঙে এক নারী আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার থানার ভেতর আসামির টিকটক ভিডিও করার ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীলতা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে তোলপাড় ও নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মাদারীপুর শহরের কলেজ রোড এলাকায় মারামারির ঘটনায় ৮-১০ দিন আগে তানভীর নুসুকে আটক করা হয়েছিল। তবে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে এই ভিডিও ধারণ করা হলো, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। একাধিক পুলিশ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের চরম গাফিলতির কারণেই এমনটা ঘটে থাকতে পারে।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না এবং খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন।
কেএম