দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাগুরার মহম্মদপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬-এর সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রীর অপসারণ দাবি করেছে বিএনপির একাংশ। একই সঙ্গে প্রকাশিত নিয়োগ তালিকা বাতিল করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা।
রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বক্তারা ইউএনওর বিরুদ্ধে দলীয় পক্ষপাতিত্ব, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬-এর জন্য ৮৩ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও আটজন সুপারভাইজারের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব আক্তারুজ্জামান অভিযোগ করেন, নীতিমালা অনুসরণ না করে একটি পক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে বৈষম্যমূলকভাবে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি নিয়োগ তালিকা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া এবং ইউএনওর অপসারণ দাবি করেন।
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম খান বাচ্চু বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগ, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, কৃষি প্রণোদনা ও ভর্তুকি এবং ভিজিএফ কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রশাসনিক দায়িত্বে থেকে দলীয় পক্ষপাতিত্ব বন্ধ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
বিক্ষোভ মিছিলের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা সভাপতি অভিযোগ করেন, তারা কিছুদিন আগে ইউএনওর সঙ্গে দেখা করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রকাশিত তালিকায় অযোগ্য ব্যক্তি, স্থানীয় সংসদ সদস্যের আত্মীয় ও ছাত্রলীগের কর্মীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তালিকা বাতিল না করলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। তবে কারও নিয়োগে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তাকে বাদ দিয়ে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে যোগ্য প্রার্থী নেওয়া হবে।
এমএস/