দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার চিরাপাড়া-পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের ৩৫ নম্বর কেশরতা সুজাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনেয়ারা পারভীনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা। তদন্ত চলাকালেই প্রধান শিক্ষকের সমর্থক ও অভিযোগকারী পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটায় তদন্ত কার্যক্রম অসমাপ্ত রাখতে হয়।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয়ে তদন্তে যান উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সজল কান্তি সিকদার। এসময় প্রধান শিক্ষকের সমর্থক অভিভাবক ও অভিযোগকারী অভিভাবকদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিভাবকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আসছেন। এছাড়া সরকারি বিধিমালা অনুসরণ না করে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন এবং নিজের পছন্দের লোকজনের মধ্যে কমিটির সদস্যপদের ফরম বিতরণ করেছেন।
এসব অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক খোকন হোসেন, মিন্টু তালুকদার, এমদাদুল হক খানসহ একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক হোসনেয়ারা পারভীন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’ এদিকে, তদন্ত চলাকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিরাপত্তার স্বার্থে তদন্ত কার্যক্রম শেষ না করেই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সজল কান্তি সিকদার।
তিনি বলেন, ‘দুই পক্ষের সংঘর্ষের কারণে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে উপযুক্ত পরিবেশে পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহেদুল রহমান বলেন, ‘অভিভাবকদের লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তদন্ত চলছে। তবে তদন্ত চলাকালে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় তা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
কেএম