দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা জুলাই আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানান।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের সামনে আয়োজিত মিছিল-পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমীর মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণ রাস্তায় নামলে কোনো স্বৈরাচার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। গণআন্দোলনের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, জনগণের শক্তিকে অবমূল্যায়ন করলে যে কোনো সরকারকেই একই পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে প্রণীত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থেকে বর্তমান সরকার সরে এসেছে। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রসঙ্গ তুলে মাওলানা বাবর বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি বরিশালের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রসঙ্গ টেনে সংশ্লিষ্টদের সংযত থাকার আহ্বান জানান।
সমাবেশে বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরে আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল জব্বার, মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার মিজানুর রহমান ও মুহাম্মাদ আতিকুল্লাহ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বরিশাল জেলা আহ্বায়ক আবু সাইদ মুসা, লেবার পার্টির বরিশাল মহানগর সভাপতি সোহেল মাহমুদ এবং জাগপার বরিশাল জেলা সভাপতি মনির হোসাইন।
সমাবেশ শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে একটি মিছিল নগরীর ফজলুল হক অ্যাভিনিউ, সদর রোড হয়ে জেলখানা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
যে আই