দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়ে বিদেশে অবস্থান করার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ৫০ নম্বর কুশঙ্গল নিকাড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আয়শা আক্তার শান্তার বিরুদ্ধে। তবে তার ছুটির আবেদনে বিদেশে যাওয়ার কোনো তথ্য উল্লেখ নেই; সেখানে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে চিকিৎসার জন্য ছুটি চাওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষক এস এম সেলিম হোসাইনের অবসরের পর সেখানে চারজন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সহকারী শিক্ষক শায়লা আমিন গত ৩০ মার্চ থেকে ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। পরে সহকারী শিক্ষক আয়শা আক্তার শান্তাও চিকিৎসাজনিত দুই মাসের ছুটিতে যান।
স্থানীয়দের দাবি, ছুটিতে থাকা অবস্থায় তিনি স্বামীর কাছে বিদেশে গেছেন। ফলে বর্তমানে বিদ্যালয়ের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফেরদাউস এবং একজন সহকারী শিক্ষক।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাত্র দুই শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম চালাতে গিয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে মাসিক সভা, উপজেলা পর্যায়ের বৈঠক বা অন্য সরকারি কাজে বাইরে যেতে হলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে আরও বিঘ্ন ঘটে।
গত ১৬ জুন নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া আবেদনে আয়শা আক্তার শান্তা উল্লেখ করেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ১৬ জুন থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত চিকিৎসাজনিত ছুটির প্রয়োজন। আবেদনে তিনি আরও বলেন, কর্মস্থল থেকে তাঁর বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার হওয়ায় শারীরিক অবস্থার কারণে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে কষ্টসাধ্য।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকলেও তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফেরদাউস বলেন, ছুটির আবেদন অনুযায়ী তাকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। লোকমুখে শুনেছি, তিনি স্বামীর কাছে বিদেশে গেছেন। এ বিষয়ে তিনি আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।
নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে। ছুটির আবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আয়শা আক্তার শান্তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো সাড়া মেলেনি।
যে আই