দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার একটি শ্বশুরবাড়ির পাশ থেকে এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিহত বিএম মাহমুদুল ইসলাম নোবেল খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে এপিবিএনে কর্মরত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিজয়পাশা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, সরকারি কাজে গত শুক্রবার গোপালগঞ্জে এসে মাহমুদুল ইসলাম সদর উপজেলার পাইককান্দি গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সোমবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বিষয়টি জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও শ্বশুর ঝুনু শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, নিহতের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের ভাই আশিকুজ্জামান অভিযোগ করেন, দাম্পত্য কলহ ও স্ত্রীর কথিত পরকীয়া সম্পর্কের জেরে মাহমুদুল ইসলামকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
নিহতের চাচা মনিরুজ্জামান ভূঁইয়াও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, দাম্পত্য বিরোধ নিয়ে আগে একাধিকবার সালিশ হয়েছে এবং বিভিন্ন সময় আর্থিক সহযোগিতাও করা হয়েছিল।
তবে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিহতের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা। তার ভাষ্য, ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্বামীকে বিছানায় না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে পুকুরপাড়ে তার মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
যে আই