দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পবিত্র ওমরাহ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন পরিবারের আরও দুই সদস্য। তারা সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতরা হলেন, ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত নাজিমুদ্দিন মোল্লার মেয়ে তানিয়া তাহমিনা রিনা (৪৫), তার ছেলে তাসবিক (২০) ও মেয়ে জারা (১৫)।
পারিবারিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে রিয়াদ থেকে প্রাইভেটকারে মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারা। পথে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার অতিক্রম করার পর তাদের বহনকারী গাড়িটিকে পেছন থেকে একটি দ্রুতগতির ভারী যানবাহন ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই রিনা ও তার দুই সন্তানের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন রিনার স্বামী শফিকুল ইসলাম খোকন এবং বড় ছেলে নাবিল। তারা সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে রিনার ভাই আবু সালেহ খোসব জানান, আহত দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছিল। হঠাৎ এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো পরিবার শোকে ভেঙে পড়েছে।
পারিবারিক সূত্র আরও জানায়, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে নিহতদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দাফনের স্থান নির্ধারণ করা হবে।
জানা গেছে, তানিয়া তাহমিনা রিনার শ্বশুরবাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে। তিনি স্বামী-সন্তানদের নিয়ে ঢাকার উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরে বসবাস করতেন। তবে তার বাবার বাড়ি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নে।
সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নে শোকের ছায়া নেমে আসে। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করছেন।
যে আই