দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাসিন্দাদের জন্য পরিকল্পিত বহুতল আবাসন নির্মাণের উদ্যোগ নিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া (দীপু)। এ লক্ষ্যে তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর কাছে একটি আধা-সরকারি (ডিও) পত্র পাঠিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিহীন মানুষের পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চনপাড়ায় প্রায় ১২৬ একর জমির ওপর পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে সেখানে প্রায় ১৬ হাজার পরিবারের ৭০ থেকে ৮০ হাজার মানুষ বসবাস করছেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা বসতি, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও সামাজিক নানা সংকটের কারণে চনপাড়া বিভিন্ন সময় অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। পরিকল্পিত বহুতল আবাসন নির্মাণ করা হলে আবাসন সংকট দূর হওয়ার পাশাপাশি আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং অপরাধপ্রবণতা কমাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
ডিও পত্রে আরও বলা হয়, ঢাকা ওয়াসার ঢাকা এনভায়রনমেন্টালি সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট (DESWSP) বাস্তবায়নের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভূমি ব্যবহারে নতুন পরিকল্পনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রকে আধুনিক ও পরিকল্পিত আবাসিক এলাকায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া (দীপু) জানান, চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের সব পরিবারের জন্য পর্যায়ক্রমে বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ, প্রয়োজনীয় সরকারি বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকট, অপরিকল্পিত বসতি ও জনঘনত্বের কারণে চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র নানা সমস্যায় জর্জরিত। পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
/অ