দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নওগাঁর চার উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত একাধিক গরু ডাকাতির ঘটনার তদন্তে আন্তজেলা গরু ডাকাত চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে ১৫ জুলাই দুপুর পর্যন্ত নওগাঁ ও নাটোরের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আতারামপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৪২), জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মইপুর গোপালপুর গ্রামের ফেরদৌস (২৬) এবং নওগাঁ জেলার আসলাম।
পুলিশের ভাষ্য, রানীনগর, আত্রাই, বদলগাছী ও মহাদেবপুর উপজেলায় সম্প্রতি সংঘটিত গরু ডাকাতির ঘটনাগুলোর তদন্তে গোয়েন্দা তথ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন ডাটাবেইস বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রথমে আসলামকে শনাক্ত করা হয়। পরে ১৪ জুলাই সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), রানীনগর থানা পুলিশ ও র্যাবের সহায়তায় নাটোরের নলডাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসলাম একটি আন্তজেলা গরু ডাকাত চক্রের বিষয়ে তথ্য দিলে ১৫ জুলাই ভোরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার বড় চৌগ্রাম এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশের বিশেষ দল।
এ সময় সন্দেহভাজন একটি পিকআপ থামানোর সংকেত দিলে চালক সেটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ছোট চৌগ্রাম এলাকায় ব্যারিকেড ভেঙে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশের কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের ধাওয়ার মুখে পিকআপে থাকা দুই ব্যক্তি নেমে কচুরিপানায় আচ্ছাদিত একটি জলাশয়ে ঝাঁপ দেন। অন্য দুইজন পিকআপ নিয়ে পালিয়ে যান।
রানীনগর ও সিংড়া থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় সাত ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে জলাশয় থেকে হাবিবুর রহমান ও ফেরদৌসকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসা শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
অভিযানে রানীনগর থানার তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সিংড়া থানায় একটি মামলা হয়েছে।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেকুল ইসলাম বলেন, জেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত গরু ডাকাতির ঘটনাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে আন্তজেলা চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের পলাতক সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
যে আই