দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরের নকলা উপজেলায় একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ ২৯ জন আহত হয়েছেন। একই ঘটনায় মাঠে চরতে থাকা ৬টি গবাদিপশুও আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নকলা পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন বাজারদি এলাকার ফিরোজ আলীর ছেলে রিয়াজ আহম্মেদ (২০), আব্দুর রহমানের ছেলে রায়ান (৫), খলিলুল রহমানের মেয়ে মীম (৫), কায়দা এলাকার আব্দুর রহিমের মেয়ে ঝিনুক (৯), লুৎফর রহমানের ছেলে সজিব (১৩), কুর্শা এলাকার মিরাজ উদ্দিনের ছেলে জিহাদ (৯)সহ আরও অনেকে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সকাল থেকেই কুকুরটি পৌর শহরের গ্রীণরোড, দড়িপাড়া, উত্তর কায়দাসহ বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়িয়ে সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই কামড়াতে থাকে। এ সময় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ২৯ জন আহত হন। পাশাপাশি মাঠে চরতে থাকা ৬টি গবাদিপশুকেও কামড়ায় কুকুরটি। পরে এলাকাবাসী কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।
নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে আসা আহতদের অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, একদিনে কুকুরের কামড়ে এত রোগী আগে হাসপাতালে আসেনি।
তিনি আরও বলেন, কুকুরের কামড়ের পর ক্ষতস্থান অন্তত ১৫ মিনিট প্রবাহমান পানি ও সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।
নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, নকলা পৌরসভার সরবরাহ করা অ্যান্টি-রেবিস (এআরভি) ভ্যাকসিন হাসপাতালে সংরক্ষিত রয়েছে এবং আহতদের বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হলেও নকলা পৌরসভা সহযোগিতা করবে।
এমএম/