দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দূরপাল্লাসহ বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে সাধারণ যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সামনে বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে তারা সড়কে নেমে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানালেও তারা দাবি আদায়ে অনড় থেকে আন্দোলন চালিয়ে যান।
সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের পরীক্ষার্থী আলিফ বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কঠিন বিষয়ের পরীক্ষার আগে পর্যাপ্ত বিরতিও দেওয়া হয়নি।
অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী সাইফুর রহমান অমি বলেন, আগের বছরের তুলনায় এবার প্রশ্নপত্র অনেক কঠিন হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যে শিক্ষার্থীরা অপমানিত বোধ করছেন।
সরকারি বরিশাল কলেজের পরীক্ষার্থী জিসান বলেন, একটি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা স্থগিত হলেও অন্য বোর্ডে পরীক্ষা চলমান রাখা হয়েছে। এসব বিষয়ে সমাধান না করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
মহাসড়ক অবরোধের কারণে বরিশালের নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে অভ্যন্তরীণ ১৪টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে বরিশাল থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচলও বন্ধ থাকায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
ঢাকায় চিকিৎসার জন্য যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসের টিকিট কাটা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জগলুল হায়দার বলেন, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছেন। আন্দোলনের অধিকার থাকলেও সড়ক অবরোধ করে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে না ফেলার আহ্বান জানান তিনি।
মাদারীপুরগামী ব্যবসায়ী যতীন কর্মকারও একই ধরনের দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বলেন, পরীক্ষা-সংক্রান্ত সমস্যার দায় সাধারণ মানুষের নয়। তাই সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন না করার দাবি জানান তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলেও তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
যে আই