দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গৃহবধূ মীম আক্তার হত্যার বিচার এবং অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে থানা ঘেরাও, মানববন্ধন ও ঝাড়ু মিছিল করেছেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এ সময় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ গ্রহণে গড়িমসির অভিযোগও তোলেন তারা।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ব্রাহ্মণচর নওগাঁও গ্রামের বাসিন্দারা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে মেঘনা থানা চত্বরে জড়ো হয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।
নিহতের পরিবার জানায়, প্রায় এক বছর আগে পারিবারিকভাবে মুন্সীগঞ্জের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মো. সিয়ামের সঙ্গে মীম আক্তারের বিয়ে হয়। গত ২ জুলাই ভোরে সিয়াম ফোন করে শাশুড়িকে জানান, ঘুম থেকে উঠে তিনি মীমকে খুঁজে পাচ্ছেন না। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে উপজেলার কদমতলা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন মহাসড়কে মীমের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান।
নিহতের মা সুমি আক্তারের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি দাবি করেন, হত্যার পর মরদেহ মহাসড়কে ফেলে রাখা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার আগে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন মীম।
পরিবারের অভিযোগ, থানায় মামলা নিতে না চাওয়ায় তারা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, নিহতের পরিবার আদালতে মামলা করেছেন বলে তিনি জেনেছেন। আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি জানান, গত ২ জুলাই ভোরে স্থানীয়দের খবরে পুলিশ কদমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মীমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি আরও বলেন, মরদেহের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।
জে আই